ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট কিভাবে খুলবেন, ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খোলার নিয়ম এবং কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব এই বিষয়টি নিয়ে অনেকেই জানে না।
![]() |
| কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব |
আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার, কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট খুলবেন।
ফ্রিল্যান্সিং কি?
মনে করুন,আপনার
একটা Skill রয়েছে
আপনি কোন
একটা কাজে
অনেক এক্সপার্ট।আর
আপনি এখন
চাইলে কিন্তু
সেই কাজটি
অনলাইনের মাধ্যমে
মানুষদেরকে দিয়ে
তার বিনিময়ে
নির্দিষ্ট পরিমাণে
এটা অর্থ
আয় করতে
পারবেন।
আপনি যদি
গ্রাফিক্স ডিজাইন
এর কাজ
পারেন তাহলে
কিন্তু বিভিন্ন
ব্যানার পোস্টার
ডিজাইন,তারপর লোগো
ডিজাইন এছাড়া
বিভিন্ন বিল্ডিং
এর ডিজাইন
আরও বিভিন্ন
কাজ রয়েছে
যেগুলো করার
মাধ্যমে কিন্তু
আপনি অনলাইনের
মাধ্যমে ইনকাম
করতে পারবেন।
Read More: ঘরে বসে অনলাইনে আয় করার উপায়
আপনাকে অফিসের
মত এখানে
থেকে ৯-৫
টার চাকরি
করা লাগবে
না।আপনি
যদি ফ্রিল্যান্সিং
করেন তাহলে
আপনি নিজের
ইচ্ছামত কাজ
করতে পারবেন
এবং আপনি
একজন বসের
আন্ডারে সব
সময় কাজ
করবেন না,এখানে
আপনি বিভিন্ন
জনের কাজ
করে দিতে
পারবেন।
আপনি যদি কাজ করতে কোন দিন ভালো না লাগে সেদিন কাজ না করলেও কোন সমস্যা নেই।এক কথা বললে আপনার একটা দক্ষতা থাকতে হবে এবং সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আপনি মানুষদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিবেন এবং তার বিনিময়ে তারা আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণে একটা টাকা দিবে।আর এই কাজটি কিন্তু আপনি ঘরে বসেই করতে পারবেন আপনার ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার ব্যবহার করে।
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের মধ্যে বিভিন্ন কাজ রয়েছে আপনি যে কাজে দক্ষ সেই কাজটি মানুষজনদের কে করে দিয়ে উপার্জন করতে পারবেন।আপনি যদি আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে সেই সার্ভিস দেওয়ার মাধ্যমে ও আপনি ইনকাম করতে পারবেন।
এছাড়াও আপনি
যদি ওয়ার্ডপ্রেস
ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট
করতে পারেন
কিংবা ওয়ার্ডপ্রেস
দিয়ে ওয়েবসাইট
বানাতে পারেন,তাহলে
এই সার্ভিসটি
দিয়েও ইনকাম
করতে পারবেন।এরপরে
আপনি যদি
ভিডিও এডিটিং
কিংবা, মোবাইল
অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট,
এনিমেশন ভিডিও
বানাতে পারেন,তাহলে
সেই সকল
সার্ভিস দিয়ে
ও কিন্তু
আপনি ইনকাম
করতে পারবেন।
এক কথা
বললে,আপনি যে
কাজে দক্ষ
সেই কাজটি
আপনি অনলাইনের
মাধ্যমে বিভিন্ন
মানুষদের কে
করে দিবেন
এবং তার
বিনিময়ে তারা
আপনাকে বেশ
ভালো পরিমাণে
একটা টাকা
দিবে।
আশা করি,
ফ্রিল্যান্সিং কি
এবং ফ্রিল্যান্সিং
সেক্টরে আপনাকে
কি কি
কাজ করা
লাগবে এই
বিষয়টি সম্পর্কে
আপনি পরিপূর্ণভাবে
একটি ধারণা
পেয়েছেন।
Read More: মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো
আপনি
কেন
ফ্রিল্যান্সার
অ্যাকাউন্ট
খুলবেন
?
আপনার যদি কোন কাজের উপরে বিশেষ দক্ষতা থাকে, যেটা ব্যবহার করে আপনি অন্য মানুষের সমস্যা সমাধান করে দিতে পারবেন।তাহলে অবশ্যই আপনার একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খোলা দরকার।তাহলে আপনি এর মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন মানুষের কাজ করে দিয়ে তার মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন।

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব
তবে আপনি ইচ্ছা করলে এই কাজটি পার্টটাইম হিসেবে ও করতে পারেন কিংবা ফুল টাইম হিসেবেও এই কাজটি করা শুরু করে দিতে পারেন। Freelancer.com এর যে ওয়েবসাইট রয়েছে সেখানে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন মানুষেরা প্রতিদিন কাজ করে যার জন্য আসে এবং বায়ার যারা রয়েছে তারা কাজ করিয়ে নেয়।
তাই আপনার যদি কোন কাজের উপরে অনেক দক্ষতা থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে ফ্রিল্যান্সার মার্কেটে Place একটি অ্যাকাউন্ট খোলার দরকার এবং আপনার কাজ খোজা দরকার।এই মার্কেটপ্লেসেএর মধ্যে মূলত বায়াররা কাজের বিস্তারিত লিখে পোস্ট করে এবং সেখানে বিট করা লাগে।

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব
বিট করার মানে হলো জবের জন্য আপনাকে এপ্লাই করতে হবে এবং আপনার অ্যাপ্লাই যদি Bayer পছন্দ করে তাহলে বসে আপনাকে কাজ দিবে, আপনি যদি এখানে কাজ করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে প্রফেশনাল ভাবে কাজ করতে হবে। আপনার দেওয়া সিভি যদি ভাল হয় এবং আপনি কাজ করার দক্ষতা যদি থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি কাজ পাবেন।
আপনি যখন কাজের জন্য এপ্লাই করবেন তখন আপনি আগে যে কাজগুলো করেছেন সেই কাজের স্যাম্পল বায়ারকে পাঠিয়ে দিবেন তাহলে আপনার কাছে পাওয়ার সম্ভাবনা অন্য মানুষদের থেকে অনেক গুনে বেড়ে যাবে।
Read More: ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ কিভাবে করতে হয়
ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস
এর মধ্যে
কি কি
ধরনের কাজ
পাওয়া যায়?
আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কাজ পাবেন আপনি যে কাজে দক্ষ সেই কাজটি অন্য মানুষকে করে দেওয়ার মাধ্যমে বেশ ভালো পরিমাণে উপার্জন করতে পারবেন এখান থেকে খুব সহজেই।
এই ওয়েবসাইটের মধ্যে সারা বিশ্বের মানুষেরা কাজ খোঁজার জন্য এসে থাকে,এখানে প্রচুর পরিমাণে কাজ রয়েছে এত পরিমাণে কাজ রয়েছে যে আপনি কাজ করে কখনোই শেষ করতে পারবেন না।
·
গ্রাফিক্স ডিজাইন
·
লোগো ডিজাইন
·
বিজনেস কার্ড ডিজাইন
·
ডিজিটাল মার্কেটিং
·
ওয়ার্ডপ্রেস
·
কন্টেন্ট রাইটিং
·
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
·
অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট
·
অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট
·
html, সিএসএস, জাভা, পাইথন।
·
ভিডিও এডিটিং
·
ব্র্যান্ডিং
·
ওয়েব ডিজাইন
·
সার্ভার ম্যানেজমেন্ট
·
প্রফেশনাল ভিডিও ক্রিয়েশন
Read More:Free freelancing course in Bangladesh
উপরে দেওয়া কাজগুলো বাদেও আরো হাজারো রকমের কাজ রয়েছে freelancer.com মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের ভিতরে আপনি যে কাজে দক্ষ সেই কাজটি খুঁজে নিবেন এবং সেখানে কাজের জন্য এপ্লাই করবেন।
তারপরে আপনি যখন কাজের অর্ডার পাবেন তখন কাজটি করে দিবেন এবং কাজ শেষ হয়ে গেলে আপনি আপনার কাজের পেমেন্টটি আপনার ফ্রিল্যান্সার একাউন্টের মধ্যে পেয়ে যাবেন এবং যখন আপনার একাউন্টের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণে একটা টাকা হয়ে যাবে তখন আপনি সেটা আপনার ব্যাংক একাউন্ট এর মাধ্যমে ট্রান্সফার করে নিতে পারবেন।
কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব
ফ্রিল্যান্সার ডটকম ওয়েবসাইট এর মধ্যে যাওয়ার পরে আপনি অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য একটি অপশন পাবেন এবং সেখান থেকে আপনাকে মূলত একাউন্ট খুলতে হবে।
অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য আপনি রেজিস্ট্রেশন অপশন থেকে Create a freelancer account এই অপশনটি সিলেক্ট করে নেক্সট অপশনে ক্লিক করবেন।তারপরে আপনি একটি সাইন আপ করার অপশন দেখতে পাবেন সেখান থেকে আপনাকে একাউন্ট করার কাজটি সম্পন্ন করতে হবে।

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব
আপনি ফেসবুক একাউন্টের মাধ্যমে সরাসরি একাউন্ট করতে পারেন কিংবা জিমেইল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে করতে পারেন অথবা আপনি চাইলে ম্যানুয়াল ভাবে করতে পারেন। তবে আমার মতে সব থেকে ভালো হয় সরাসরি একদম জিমেইল একাউন্টের মাধ্যমে একাউন্ট করা।
আপনি জিমেইল একাউন্টের মাধ্যমে সরাসরি একাউন্ট করার চেষ্টা করবেন,তাহলে ভালো হবে।জিমেইল দিয়ে একাউন্ট করার পরে আপনারা “I agree to Freelancer user agreement and privacy policy” এই অপশন টিক মার্ক দিয়ে দিবেন।তারপর আপনি আপনার অ্যাকাউন্টের জন্য একটি ইউজার নেম সিলেক্ট করে দিবেন। ইউনিক একটা নাম আপনি টাইপ করে বসিয়ে দিবেন। ইউজার নেম বসানো হয়ে গেলে নেক্সট অপশনে ক্লিক করবেন।
আর এভাবেই কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করার মাধ্যমে আপনার একাউন্টে খোলা হয়ে যাবে। অ্যাকাউন্ট করার পরে আপনি যখন আপনার একাউন্টে 100 ডলার ইনকাম করবেন তখন সেই টাকাটা আপনি ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে ট্রান্সফার করে নিতে পারবেন অনায়াসে।
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে প্রচুর পরিমাণে কাজ রয়েছে আপনি যে কাজে দক্ষ সেই কাজটি সার্চ করে খুঁজে পাবেন এবং সেই কাজের জন্য আপনি এপ্লাই করবেন এবং যখন কাজ পাবেন তখন কাজটি করা শুরু করে দিবেন।আশা করি যে কিভাবে একটি ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলবেন বা,কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব এই বিষয়টা আপনি বুঝতে পেরেছেন।
অ্যাকাউন্ট তৈরি
করার পরে
কি করবেন?
Freelancer
account তৈরি করার পরে আপনাকে নিজের কাজগুলো অবশ্যই করে নিতে হবে আর তা না হলে কিন্তু হবে না এই বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। নিচে দেওয়া কাজগুলো যদি আপনি না করেন তাহলে কিন্তু আপনি কোন ধরনের প্রজেক্ট (project) এর জন্য বিড দিতে পারবেন না।
·
সবার প্রথমে আপনি যে জিমেইল একাউন্টের মাধ্যমে একাউন্ট করবেন সেই ইমেইল অ্যাকাউন্টটি একটি কনফার্মেশন লিংক পাঠানো হবে ভেরিফাই করার জন্য আপনি এই লিংকটিতে ক্লিক করে আপনার অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করে নিবেন।
·
পরবর্তী ধাপে আপনি আপনার নিজের মোবাইল ফোন নাম্বার দিয়ে একাউন্ট ভেরিফাই করে নিবেন।
·
এরপর আপনার অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল এর মধ্যে গিয়ে আপনার ফুল এড্রেসটি ভেরিফাই করে নিবেন।
·
এখন সব কাজ করা হয়ে গেলে আপনার ফ্রিল্যান্সার একাউন্ট সম্পূর্ণভাবে (active) হয়ে যাবে।
এখন থেকে আপনি আপনার freelancer account dashboard থেকে যে কোন ধরনের project এর জন্য বিড (bid) করতে পারবেন খুব সহজে।
টিপস: বেশি
কাজ পাওয়ার
জন্য কি
করবেন ?
একটা বিষয় অবশ্যই মনে রাখবেন এই মার্কেটপ্লেসে কিন্তু সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাসের উপরে কাজ দেওয়া হয়ে থাকে।মানুষেরা যখন আপনাকে বিশ্বাস করা শুরু করবে তখন কিন্তু আপনি প্রচুর পরিমাণে কাজ পাওয়া শুরু করতে থাকবেন।
আর তাই সেজন্য, আপনি সবার প্রথমে নিজের একটি প্রোফাইল পিকচার, আপনি যে কাজটি করবেন সেই কাজে আপনার কত বছরের দক্ষতা রয়েছে, qualification, আপনার লেখাপড়ার তথ্য, personal headline এই সমস্ত বিষয়গুলো প্রোফাইলের মধ্যে ভালোভাবে দিয়ে রাখবেন।আপনার প্রোফাইলটি যত বেশি পরিমাণে Professional লাগবে তত বেশি পরিমাণে কিন্তু আপনি কাজ থাকবেন।
পরিশেষে
তাহলে আপনারা কিভাবে সঠিকভাবে একটি ফ্রিল্যান্সিং অ্যাকাউন্ট খুলবেন তা জানতে পারলেন। ফ্রিল্যান্সিং রিলেটেড বিভিন্ন টিপস এন্ড ট্রিকস পাওয়ার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটটির সঙ্গে থাকবেন।কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব, আশা করি এই বিষয় নিয়ে আপনাদের আর কোন প্রশ্ন নেই।
