আজকের আর্টিকেলটি থেকে আপনারা বাচ্চাদের লেখাপড়া শেখানোর পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত সকল তথ্য জানতে পারবেন।
![]() |
| বাচ্চাদের লেখাপড়া শেখানোর পদ্ধতি |
আপনি যদি বাচ্চাদের লেখাপড়া শেখানোর পদ্ধতি জানতে চান তবে আজকের লেখাটি সম্পূর্ণ পড়বেন।
বাচ্চাদের
লেখাপড়া
শেখানোর
পদ্ধতি
বাচ্চাদের লেখাপড়া শেখানোর জন্য কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে আর আপনি যদি সেই পদ্ধতিগুলো অনুশীলন করে বাচ্চাদের পড়ান তাহলে কিন্তু তারা বই পড়তে এবং পড়াশোনা করতে অনেক আগ্রহী হবে,আর আপনারা আজকের আর্টিকেল থেকে সিক্রেট কিছু টিপস জানতে পারবেন যেই টিপস গুলো অবলম্বন করলে আপনি আপনার বাচ্চাদের লেখাপড়ায় অনেক মনোযোগী করে তুলতে পারবেন।
১/ যে
বিষয়টি শিখাবেন
সেটি আপনি
আগে নিজে
শিখবেন
আপনি বাচ্চাদেরকে
যে বিষয়টি
নিয়ে পড়াবেন
সে বিষয়টি
নিয়ে আপনি
আগে রিসার্চ
করে সে
বিষয়টি ভালোভাবে
শিখে নিবেন,তারপরে
আপনি বাচ্চাদেরকে
বুঝানোর চেষ্টা
করবেন।
আপনি যদি
এমন কোন
একটা বিষয়ে
বাচ্চাদেরকে বুঝানোর
চেষ্টা করেন
যেটা আপনি
নিজে পারেন
না তাহলে
কিন্তু হবে
না।সুতরাং
আপনি বাচ্চাদের
যে বিষয়টি
নিয়ে পড়াতে
যাবেন বা
পড়াবেন সে
বিষয়টি আপনি
আগে ভালোভাবে
শিখে নিয়ে
তারপরে পড়ানো
শুরু করবেন
তাহলে বাচ্চারা
পড়তে অনেক
আগ্রহী হবে,আপনি
এই পদ্ধতিটি
অবলম্বন করতে
পারেন।
২/ ভালোভাবে
বুঝিয়ে পড়ানোর
চেষ্টা করবেন
অনেক মা
বাবা আছে
যারা বাচ্চাদেরকে
পড়ানোর সময়
তারা যদি
পড়তে না
চায় বা
পরে না
বুঝে তাহলে
তাদেরকে জোরজবস্তি
করতে থাকে,
এরকম মোটেই
করা যাবে
না।আর
আপনি যদি
এরকম করেন
তাহলে একটা
সময় দেখা
যাবে সে
পড়তে বসবে
না।
যদিও বা
পড়তে বসে
তাহলে সে
কিছু বুঝতে
পারবে না,এর জন্য
আপনি বাচ্চাকে
যা পড়াবেন
সে বিষয়ে
সম্পর্কে আপনি
আগে ভালোভাবে
জেনে নিয়ে
তারপরে আপনার
বাচ্চাকে বুঝিয়ে
পড়ানোর চেষ্টা
করবেন।
যদি গল্প
কিংবা কবিতা
পড়াতে চান
তবে সেটা
আপনি নিজে
প্রথমে পরে
ভালোভাবে বুঝে
তারপরে আপনি
আপনার বাচ্চাকে
সেটা এমনভাবে
বুঝাবেন যাতে
সে আনন্দ
পায় তাহলে
সে পরের
প্রতি অনেক
আগ্রহী হবে
এবং পড়তে
চাইবে,আশা
করি বুঝতে
পারছেন।
৩/ বাংলা ভাষা দিয়ে শুরু করবেন
বাংলা হল আমাদের দেশের মাতৃভাষা।আর তাই স্বাভাবিকভাবেই সন্তানকে শুদ্ধ বাংলাটা শেখানোটা প্রত্যেকটা পরিবারের একটি কর্তব্য।যদিও বা ইংরেজি শেখাটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ, তবে রক্ত দিয়ে কেনা এই বাংলা ভাষার প্রতি গুরুত্ব দেওয়াটাও অনেক জরুরী।তাই অবশ্যই আপনি আপনার শিশুকে প্রথম দিকে বাংলা ভাষা দিয়ে সেখানে শুরু করবেন তারপরে অন্য সকল সাবজেক্ট পড়াতে পারেন।
৪/
ভয়
দূর
করে
দিবেন
যদি আপনার বাচ্চার কোন সাবজেক্ট পড়তে ভয় লাগে বা বুঝতে না পারে তাহলে আপনি সেই সাবজেক্টটি এমন ভাবে পড়াবেন যাতে করে তার কাছে সহজ মনে হয়,তাহলে তার ভয় অনেক তাড়াতাড়ি দূর হয়ে যাবে।
যে বিষয়টি আপনার বাচ্চার কাছে কঠিন মনে হবে সেই বিষয়টি আপনি আগে ভালোভাবে পড়ে দেখবেন এবং সেটা ভালোভাবে বুঝে,তারপরে তাকে সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলবেন,যাতে করে তার আর কোন অসুবিধা না থাকে বুঝতে যাতে সুবিধা হয়।
৫/ সহজ
একটি সাবজেক্ট
দিয়ে পড়ানো
শুরু করবেন
আপনি আপনার
বাচ্চাকে প্রত্যেকদিন
সহজ যে
কোন একটি
সাবজেক্ট দিয়ে
পড়াতে শুরু
করবেন যে
সাবজেক্ট এসে
ভালো বুঝে!
অথবা আপনি
যদি আগে
থেকে পরান
তাহলে তার
পড়া রিভিশন
হবে এবং
সে পড়তেও
আগ্রহী হবে,তার
কাছে মনে
হতে পারে
যে সে
সবকিছুই আগে
থেকে পারে।তারপরে
আপনি আস্তে
আস্তে নতুন
বিষয় নিয়ে
তাকে পড়ানো
শুরু করতে
পারেন এটা
অনেক কার্যকরী
একটি পদ্ধতি
আপনি এই
পদ্ধতিটি অবলম্বন
করতে পারেন।
৬/ বিনা কারণে বকাবকি করবেন না
পড়াতে যখন
বসবেন তখন
যদি সে
কোন সাবজেক্ট
না বুঝতে
পারে তাহলে
অযথা বকাবকি
করবেন না।
আর এটি
যদি আপনি
করেন তাহলে
সে যে
বিষয়টি নিয়ে
পড়বে সেটিও
ভালোভাবে বুঝতে
পারবে না।আপনার
চিল্লাচিল্লির কারণে
দেখা যাবে
সে মনে
মনে এই
কথাটি ভাবতে
থাকবে যে,
মা - বাবা
আবার বকা
দেয়া শুরু
করবে না
তো।
যার ফলে
তার মনোযোগ
আর পড়ার
টেবিলে থাকবে
না তার
মনোযোগ পড়ার
টেবিল থেকে
অন্য জায়গায়
চলে যাবে।
এরপরে দেখা
যাবে সে
কোন কিছুই
বুঝতেছে না।
তাই আপনারা
চেষ্টা করবেন
অযথা বকাবকি
না করে
বুঝিয়ে পড়ানোর
চেষ্টা করা।
৭/ সঠিক
জায়গায় পড়াশোনা
করানোর জন্য বসাবেন
আপনি যখন
আপনার বাচ্চাকে
পড়ালেখা করার
জন্য বসাবেন
তখন কখনোই
খাটের উপরে
কিংবা খাটের
সাথে হেলান
দিয়ে অথবা
এমন কোন
জায়গায় পড়াতে
বসবেন না
যেখানে অনেক
হয়েছে কিংবা
অনেক মানুষজন
রয়েছে এমন
একটা জায়গায়
পড়ানোর জন্য
চেষ্টা করবেন
যেখানে নিরিবিলি
এবং মানুষজন
আপনাকে বিরক্ত
করবে না।
লেখাপড়া করার
জন্য আলাদা
একটা রুম
রাখবেন এবং
সেখানে একটি
পড়ার টেবিল
রাখবেন পড়ার
টেবিলে বসে
সব সময়
পড়ানোর চেষ্টা
করবেন। এই
পদ্ধতিটি যদি
আপনি অনুশীলন
করেন তাহলে
আপনার বাচ্চার
পড়াশুনার প্রতি
আগ্রহ অনেক
গুনে বেড়ে
যাবে এবং
সে পড়াশোনা
করেও আনন্দ
পাবে।
৮/ পুরস্কার
দিতে পারেন
মনে করুন আপনি কোন একটা পড়া তাকে দিলেন এবং আপনি তাকে বলে দিলেন যে সে যদি ওই পড়াটি পারে তাহলে তাকে আপনি পুরস্কার দিবেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় আপনি তাকে নামতা মুখস্ত করে দিলেন এবং বলতে পারেন তুমি যদি সঠিকভাবে সবগুলোর উত্তর দিতে পারো তাহলে তোমাকে পুরষ্কার দিব।
পুরস্কার যে কোন কিছু হতে পারে চকলেট অথবা চিপস কিংবা অন্য যে কোন জিনিস আপনি দিতে পারেন। তবে হ্যাঁ ঘন ঘন একেবারেই নয়।সপ্তাহে একদিন করে আপনি পরিষ্কার দিতে পারেন, এতে করে তার পড়ার আগ্রহ অনেক গুনে বেড়ে যাবে এবং সে পুরস্কার পাওয়ার লোভে বেশি বেশি করে পড়তে থাকবে।
৯/ খেলার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিন
আপনি দিনের একটা সময়ে নির্ধারণ করে দিবেন যে সময় সে খেলাধুলা করবে আর অন্য কোন কাজ করবে না।সারাদিন বইয়ের ধারে বসিয়ে রাখলে কিন্তু সে একটা সময় গিয়ে দেখা যাবে কিছুই বুঝতেছেনা তাই অবশ্যই চেষ্টা করবেন সারা দিনের মধ্যে কিছুটা সময় খেলাধুলার জন্য রাখা তাহলে তার মন এবং স্বাস্থ্য দুটোই ভালো থাকবে।
১০/ বাচ্চার পাশে বসে বই পড়ার চেষ্টা করুন
আপনি আপনার
বাচ্চার পাশে
বসে বই
পড়ার অভ্যাস
করুন।অনেক
ক্ষেত্রেই মায়েদের
দেখা যায়
বাচ্চাদেরকে পড়তে
বসিয়ে দিয়ে
সে নিজে
মোবাইল টিপছে।এতে
করে কিন্তু
বাচ্চাদের পড়াশোনায়
প্রচুর পরিমাণে
ব্যাঘাত ঘটে, তাদের
মনোযোগ বইয়ের
মধ্যে না
থেকে থাকে
মোবাইলের মধ্যে
তাহলে।তাই
বাচ্চাকে পড়তে
বসিয়ে দিয়ে
নিজে একটা
বই নিয়ে
পাশে বসতে
পারেনন।এর
ফলে দেখা
যাবে বাচ্চা
তার মা
যেহেতু পড়াশোনা
করছে তখন
তারও পড়াশোনার
প্রতি আগ্রহ
অনেক গুনে
বেড়ে যাবে।
আমাদের শেষ
কথা
তাহলে আমাদের আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা বাচ্চাদের লেখাপড়া শেখানোর পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারলেন।আর এই ধরনের বিভিন্ন শিক্ষামূলক আর্টিকেল পাওয়ার জন্য আমাদের সঙ্গে থাকবে।
